Bengal Classical Music Festival 2015
Bengal Classical Music Festival 2015
Presented by Square
Organized by Bengal Foundation
News Collection Guidelines
1. Journalists, photographers or videographers will not be able cover the event without their Press Cards provided by Bengal Foundation. The Card will be supplied by Bengal Foundation in due course before the event commences.
2. To cover this five-day long event, each media organization will be allotted a maximum of four Press Cards, two for journalists and two for photographers. Media personnel are requested to carry their cards when they are on assignment at the event.
3. Once a performer takes the stage, photography/videography is allowed for the FIRST TEN MINUTES only.
4. At the end of the first ten minutes, cameras have to go off. It is imperative that this time limit is respected and we seek the cooperation of media professionals in this regard.
5. A Media Centre will be established on the event grounds as it was last year. Press card holders will be able to charge their mobile phones and laptops at the Media Centre, should they need to do so urgently. Two computers and internet connection will also be available for media professionals.
6. If photographers are unable to capture photos during the first ten minutes of a performance, they may collect official photos from the Media Centre. Media personnel are requested to carry their portable USB storage drives for this purpose. Please note that when official event photographs are used, they must be credited as “Courtesy of Bengal Foundation”.
7. As our broadcast partner, Maasranga Television will record the video of the entire event. Interested media personnel may collect video footage of important moments from the Media Centre. However, if any Television channel broadcasts this footage, they are legally required to credit it as “Courtesy of Maasranga Television”.
8. Official Opening and Closing ceremonies will be held on the first and last days of the event this year. They will take place around 7.30 PM on both days. Every night by 8:30 PM, the official press release for the day, along with the list of performers, description of events and at least two photographs will be ready at the Media Centre. Journalists will be able to collect the press release upon showing their Press Card. It will be particularly helpful if they carry their own USB storage media at this time.
9. Starting on the second day of the event, journalists, upon presenting their Press Card, will be able to collect the detailed description of the previous night’s program from beginning to end and photos at 6 PM — an hour before the night’s program commences. This will be possible for the remainder of the event, i.e. the third, fourth and fifth nights as well.
10. If interested, journalists will be able to collect the musician line-up for any particular night along with their brief biographies from the Media Centre upon presenting their Press Card.
11. Naturally, the media will be eager to interview the stellar musicians invited to the festival. However, the organizers do not encourage holding any interviews on the event grounds, be it brief or extended. In keeping with the refined ambience of an international standard classical music festival, we urge you not to congregate around the musicians on the event ground in order to take their interview.
12. If a journalist is interested to speak to a performer or an organizer, they must register their interest at the Media Centre. The Media Centre will contact the interviewee on their behalf and inform the interviewer of their consent, and a convenient time and place for the interview.
13. Journalists may also inform the Media Centre of their interest in particular interviewees through phone or email ahead of the event. Just as last year, arrangements will be made for performers to meet and greet the media in the morning/ early afternoon, starting from the day before the inauguration. It may be possible to arrange extended interviews depending on mutual interest of artists and journalists during those hours.
14. If the organizers notice any disruption of the discipline and ambience of the festival in connection with news collection, they may ask media personnel to refrain from collecting news and/or images. We seek your sincere cooperation in ensuring proper decorum.
15. Bengal Foundation is immensely grateful towards the media for their exemplary coverage of the 2012, 2013 and 2014 events that has helped establish this festival as the largest of its kind in the world. We trust that this year will be no exception.
16. This is the only cultural event of such magnitude that is open for all in Bangladesh. Considering that, we hope you will not lose your patience if you feel the imposed rules and regulations are excessive or if you are not happy with the performance of the Media Centre. Please inform us of your opinions at the Media Centre comments book or via email. We will certainly make an effort to mitigate any issues in the upcoming year.
Sincerely,
Toufiqul Alam
Mobile: 01713069165
Email: [email protected]
N Rashed Chowdhury
Mobile: 01713037660
Email: [email protected]





বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৫:
শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন সোনারগাঁও হোটেল, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০১৫ আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে দেশে চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব বাংলাদেশ’। এ বছরও উৎসব পাঁচদিনের। গত তিন বছর ধরে আয়োজিত ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব’ শিল্পী ও দর্শকের অংশগ্রহণের বিচারে এরই মধ্যে এই উপমহাদেশে তথা বিশে^ সবচেয়ে বড় পরিসরের উচ্চাঙ্গসংগীত আসর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এবারের উৎসব বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান চিত্রকর ও আমাদের সুহৃদ শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন শাস্ত্রীয়সংগীতের ঐতিহ্যগত গঠন ও কৌশলের প্রতি সাধারণ শ্রোতাদের আগ্রহ বাড়াতেই ২০১২ সালে উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়। গত তিন বছর আগ্রহী শ্রোতার আশাতীত উপস্থিতি, রসাস্বাদনের ক্ষমতা ও গভীর মনোনিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে। এবারের বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এ বছরও ধ্রুপদী সংগীত ও নৃত্যের প্রধান প্রধান শাখার উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের পরিবেশনা আপনাদের সামনে উপস্থাপনে সচেষ্ট আমরা। উত্তরাধিকার ভারতীয় উপমহাদেশে ধ্রুপদী সংগীত সাধনার যে ঐতিহ্য রয়েছে, তার উত্তরাধিকারী আমরা সবাই। শাস্ত্রীয়সংগীতের বার্তা যাঁরা পশ্চিমা দেশে পৌঁছে দিয়েছেন, সেই আলাউদ্দিন খাঁ, আলী আকবর খাঁ, উদয় শঙ্কর, রবিশঙ্কর, আয়েত আলী খাঁ, বিলায়েৎ খাঁ পারিবারিক সূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। উচ্চাঙ্গসংগীত যেমন ঐতিহ্যনির্ভর, তেমনিভাবে বিকাশোন্মুখ। বহু বছরের সাধনা ও সম্ভাবনার এক জটিল বিক্রিয়ায় তৈরি হয় গীত ও ছন্দের মধুর মায়াজাল, যা মানুষের চিত্তকে উদ্বেলিত ও প্রসারিত করে, বোধকে করে শানিত ও উদ্দীপ্ত। আমরা আশা করি, প্রতিবছর এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে মানুষকে ভালো গান শুনিয়ে ও উঁচুস্তরের পরিবেশনার সঙ্গে পরিচিত করে, নিজের দেশে উচ্চাঙ্গসংগীতের ভিতকে মজবুত করতে পারবো। গানের দেশ বাংলাদেশে সব রকম গানের চর্চাই তার ফলে উপকৃত হবে। শ্রোতা বিগত বছরগুলোতে উৎসবের সবচেয়ে বড় অর্জন এক সুশীল শ্রোতাগোষ্ঠীর সঙ্গে আমাদের পরিচয়। বিশেষ করে তরুণ শ্রোতাদের আগ্রহ ও মনোনিবেশ আমাদের আশান্বিত করেছে। প্রথম বছর তিনদিনের উৎসবে ৭০ হাজার এবং পরের বছরগুলোতে পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবে ক্রমান্বয়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজারের অধিক শ্রোতা যোগ দেন। শ্রোতাদের অতৃপ্তি আর আকাক্সক্ষা থেকেই ক্রমে তিনদিনের উৎসব বেড়ে হয় পাঁচদিনের। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন বেঙ্গল ফাউন্ডেশন গত পঁচিশ বছর ধরে শিল্প-সংস্কৃতির নানা শাখা পরিচর্যা করে আসছে। সংগীত, চিত্রকলা, সাহিত্য, কারুশিল্প, সিনেমা নিয়ে আমাদের মূল কাজ। সাহিত্য ও শিল্পবিষয়ক সাময়িকপত্র কালি ও কলম, শিল্প ও শিল্পী, যামিনী ও সিক্স সিজনস রিভিউ আমরা প্রকাশ করে থাকি। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, এ বছর জুলাই থেকে দ্বাদশ বয়সী বাংলাদেশের সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলম কলকাতা থেকে একযোগে প্রকাশিত হচ্ছে। এছাড়া এবছর বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ব্র্যাক ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছে বেঙ্গল পাবলিকেশনসের দুটি বই। ‘ভালো গান দিয়ে ভালো দিন আসুক’ – এই স্লোগান বুকে ধারণ করে গানের অ্যালবাম প্রকাশ, সংগীতশিক্ষায় বৃত্তি প্রদান ও শিল্পীদের নিয়ে নানা অনুষ্ঠান আমরা আয়োজন করে থাকি। এ বছরের উৎসবের প্রস্তুতি হিসেবে গত বছর থেকে যেসব কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয় তার মধ্যে অন্যতম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগে মিউজিক আর্কাইভ স্থাপন, বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয় স্থাপন, ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে সংগীত-অবয়ব কর্মশালা পরিচালনা এবং শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং ডান্স’ শিরোনামে নিয়মিত লেকচার-ডেমনস্ট্রেশনসহ অন্যান্য আয়োজন। গত সেপ্টেম্বরে স্থানীয় উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পীদের নিয়ে সিলেটে আয়োজিত হয়েছে সংগীতবিষয়ক নিরীক্ষাধর্মী কর্মশালা ও উপস্থাপনা। সম্প্রতি পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার ও পণ্ডিত কুশল দাসের পরিচালনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত হয়েছে ‘সংগীত অবয়ব সেতার-সরোদ কর্মশালা’। আগ্রহী ছেলেমেয়েদের উপস্থিতি বিচারে কর্মশালাটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। চলচ্চিত্রে রুচিবান দর্শক তৈরির লক্ষ্যে এ-বছরের গোড়া থেকে ডেইলি স্টার-বেঙ্গল আর্টস প্রিসিঙ্কটে ‘বেঙ্গল সিনেমাটেক’-এর মাধ্যমে বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্র নিয়মিতভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে। এদিকে বেঙ্গল চলচ্চিত্র ফোরামের আওতায় ২০১৩ সালে সারা দেশ থেকে স্ক্রিপ্ট জমা নিয়ে নবীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের উৎসাহদানের যে-কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল, তার প্রথম পাঁচটি চলচ্চিত্রের কাজ এখন চলছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত ও বেঙ্গল এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত জাহিদুর রহিম অঞ্জনের ‘মেঘমল্লার’ চলচ্চিত্রটি এবার টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে প্রদর্শনের জন্য বিশেষভাবে নির্বাচিত হয়েছে। নির্মাণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের কাহিনি অবলম্বনে রচিত মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’। গত এক বছরে আরো বই, ফোলিও ও আর্ট ক্যাটালগ প্রকাশিত হয়েছে। বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ধানমন্ডি ৭-এ চালু হয়েছে জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠ, স্থানান্তরিত হয়েছে সফিউদ্দীন-বেঙ্গল প্রিন্টমেকিং স্টুডিও। বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস ও বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জে চলছে নিয়মিত প্রদর্শনী। ডেইলি স্টার-বেঙ্গল আর্টস প্রিসিঙ্কটে বরাবরের মতো প্রদর্শিত হচ্ছে নবীন শিল্পীদের এক্সপেরিমেন্টাল কাজ। আমাদের প্রয়াত সহকর্মী সুবীর চৌধুরীর নামে প্রণীত হয়েছে নবীনদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় শিল্পকলা বৃত্তি। নিয়মিত পাঠদান চলছে নড়াইলের এসএম সুলতান বেঙ্গল মহাবিদ্যালয়ে। ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে সাভারে বেঙ্গলের নিজস্ব চারু ও কারুশিল্প সংগ্রহশালার কাজ। এ বছর আগস্ট থেকে যাত্রা শুরু করেছে বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস, যেখানে বিশ্বের সেরা শিক্ষক ও চিন্তাবিদরা স্থাপত্যশিল্প, নদী, নিসর্গ ও জনবসতি সম্বন্ধে সমকালীন চিন্তা-ভাবনা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি দেশের শিল্প-আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হলে সাধনার উৎকর্ষ ও দর্শক-শ্রোতার শানিত রুচি প্রয়োজন। শ্রোতা-দর্শক-পাঠক নির্মাণ করবেন শিল্পচর্চার গতিপথ। ঐতিহ্যের হারানো পথকে আলোকিত করতে এবং নতুনকে শিল্পসাধনার পথে আহ্বান জানাতেই আমাদের সকল আয়োজন। বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয় আপনারা নিশ্চয়ই অনুমান করতে পারছেন যে, কেবল উৎসব বা বড় পরিসরের অনুষ্ঠান আয়োজন আমাদের লক্ষ্য নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়ে উচ্চতর মনন তৈরি করা। বাঙালি সংস্কৃতির মূলস্তম্ভ বাংলা গান। বাংলা গানকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে, তার ভিত শক্ত করতে হবে। কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পী শাস্ত্রীয়সংগীতে যথার্থ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলেই এই ভিত মজবুত এবং সকল সংগীতরীতিই উপকৃত হবে। গতবছর নভেম্বরে যাত্রা শুরু করে শাস্ত্রীয়সংগীত শিক্ষায়তন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়, যার প্রতিশ্রুতি আমরা ২০১২ সালে আপনাদের দিয়েছিলাম। সংগীতালয়ে গুরু-শিষ্যমতে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করা হয়। নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে খেয়ালে পণ্ডিত উল্লাস কশালকর, তবলায় পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকার, সরোদে পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতারে পণ্ডিত কুশল দাস, ধ্রুপদে উদয় ভাওয়ালকর, এ¯্রাজে শুভায়ু সেন মজুমদারসহ অতিথি শিক্ষক হিসেবে কণ্ঠসংগীতে সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামীমা পারভিন, সরোদে ইউসুফ খান ও শাহাদাত হোসেন খান, সেতারে ফিরোজ খান, ধ্রুপদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. অসিত রায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজওয়ান আলী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয়ংকা গোপ প্রমুখ এই সংগীতালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। প্রবাদপ্রতিম বাঁশিশিল্পী পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া ও সন্তুরশিল্পী পণ্ডিত শিবকুমার শর্মাও এই উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। প্রথম বছর শেখানো হয় খেয়াল, তবলা ও ধ্রুপদ। এবছর চালু করা হয়ছে সেতার ও সরোদ বিভাগ। উচ্চাঙ্গসংগীতে যে কঠোর মনোনিবেশ প্রয়োজন, তা যান্ত্রিকতার এই যুগে তরুণদের মধ্যে প্রবিষ্ট করা সহজসাধ্য নয়। তবে বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের যে সাংগীতিক বোধ ও মেধার অভাব নেই, তা অনস্বীকার্য। হয়তো-বা চর্চা ও অধ্যবসায়ের ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। নানা প্রতিকূলতার মুখেও এদেশের ছেলেমেয়েদের যে স্বাভাবিক মেধা ও আগ্রহ রয়েছে তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপদান করতে সযতেœ বাছাই করে ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ, আহার ও ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ে। আমরা আশা করি, সাধনার পথ ধরে কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের নবীন পারফর্মার তৈরি হবে। আজকে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের কৃতী শিশুশিল্পী – ফাহমিদা নাজনীন, মোহাম্মদ ভুবন, সুপান্থ মজুমদার ও পঞ্চম স্যানাল আপনাদের সামনে ১০ মিনিটের তালবাদ্য উপস্থাপন করবেন। সঙ্গে লেহরা বাজাবেন তাঁদের শিক্ষক নীলেশ রণদেব। বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব – ফিরে দেখা… প্রেক্ষাপট * আমরা প্রথম উচ্চাঙ্গসংগীত সম্মেলন আয়োজন করি ১৯৯৬ সালে। * ২০০০ সাল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর চলে পরম্পরা কর্মশালা ওস্তাদ মশকুর আলী খান সাহেবের তত্ত্বাবধানে। * ২০১১ সালে আইটিসি সংগীত রিসার্চ অ্যাকাডেমি (এসআরএ)-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রথম উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ওই বছর ফেব্রুয়ারিতে এসআরএ-র পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী ও বিদুষী গিরিজা দেবীকে নিয়ে ঢাকায় ও পণ্ডিত অরুণ ভাদুড়িকে নিয়ে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। * ২০১২তে প্রথমবার বড় পরিসরে তিন দিনব্যাপী বেঙ্গল-আইটিসি এসআরএ উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আয়োজন করা হয়। * প্রথমবারের মতো ওয়েবের মাধ্যমে বিনামূল্যে নিবন্ধন প্রথা চালু করা হয়। * প্রথমবারের মতো একই মঞ্চে উচ্চাঙ্গসংগীতের বিভিন্ন দিকপালদের উপস্থাপন করা হয়। * প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে শাস্ত্রীয়সংগীত চর্চার ইতিহাস তুলে ধরা হয়। * তিনদিনের উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ৭০ হাজার দর্শক-শ্রোতা। * গুরুকুল পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের লক্ষ্যে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয় প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। * বাংলাদেশি শিল্পীদের নিয়ে ভারতে বড় পরিসরের অনুষ্ঠান করার কথা বলা হয়। * নিয়মিতভাবে বড় পরিসরে বাৎসরিক সংগীত উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। * ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইটিসি এসআরএ-র সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের ৫২ জন শিল্পীকে নিয়ে কলকাতায় প্রথমবারের মতো নয় দিনব্যাপী বাংলা গানের উৎসবের আয়োজন করা হয়। * ২০১৩ সালে স্কয়ারের সহযোগিতায় দ্বিতীয় বেঙ্গল-আইটিসি এসআরএ উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আয়োজিত হয়। * উৎসবের মেয়াদ বাড়িয়ে চারদিন করা হয়। * রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও উপস্থিতি এক লক্ষ্যের কাছাকাছি ছিল। * ২০১৪ সালে উৎসব আরো একদিন বর্ধিত করা হয়। * স্কয়ারের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী তৃতীয় বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব আয়োজিত হয় ২০১৪ সালে। * পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবে ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি শ্রোতা যোগ দেন। * একই সময়ে যাত্রা শুরু করে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয় উৎসবের তাৎপর্য * উৎসবের ধারাবাহিক সাফল্য, সুশৃঙ্খল আবহ ও বিশ্বমানের পরিবেশনা বিদেশে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। * চতুর্থ বছরে পৌঁছে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব পরিসর ও মেয়াদ, একই মঞ্চে বিভিন্ন শিল্পীর উপস্থিতি এবং দর্শকসংখ্যা বিচারে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চাঙ্গসংগীত অনুষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। * নবীন ও প্রবীণ গায়ক ও বাদকের রুচিশীল পরিবেশনাসহ উচ্চাঙ্গসংগীতের বৈচিত্র্য-সন্ধানী নানামুখী পরিবেশনায় ঋদ্ধ হয়েছে এই উৎসব। * পরিবেশনার পরিশীলন ধ্রুপদী গান সম্বন্ধে নবীনদের ঔৎসুক্য ও আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছে। * অনুষ্ঠানটি দেশে ও বিদেশে দর্শক-শ্রোতার বিপুল সমাদর লাভ করেছে। * বাংলাদেশে সংগীতানুরাগী শ্রোতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। * বাংলাদেশের দুই শতাধিক শিল্পী সমঝদার দর্শকের সামনে বড় মঞ্চে, বড় শিল্পীদের পাশাপাশি সংগীত ও নৃত্যে তাঁদের মেধা ও পারদর্শিতা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। * উৎসবের মাধ্যমে মানুষের বিরল সুযোগ হয়েছে সংগীতের শিরোমণি বিদুষী গিরিজা দেবী, ওস্তাদ আমজাদ আলী খান, পণ্ডিত বিরজু মহারাজ, বিদুষী কিশোরী আমানকার, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, বেগম পারভিন সুলতানা, ওস্তাদ শাহিদ পারভেজ খান, পণ্ডিত রাজন ও সাজন মিশ্র, পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, বিদুষী আলারমেল ভাল্লি, বিদুষী মালবিকা সারুক্কাই, পণ্ডিত কুমার বসু, পণ্ডিত যোগেশ শামসী, ওস্তাদ রাশিদ খান, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, পণ্ডিত উল্লাস কশলকার প্রমুখের পরিবেশনা কাছ থেকে দেখার ও শোনার। নতুন পরিচিতি * উৎসবের আবহ নবীনদের বিপুলভাবে আকৃষ্ট করে। * ক্রমে এটি একটি বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই কয়েক বছরে উৎসবের একটা চরিত্র দাঁড়িয়েছে। উচ্চাঙ্গসংগীতের নানা গতিপ্রকৃতিকে ধারণ করে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব জনমনে একটা উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করেছে। * নবীনরা এই উৎসবের সঙ্গে একাত্মতা বোধ করছেন বলেই শুধু গান শুনিয়ে নয়, সংগীতে কীভাবে সমকালীন জীবনচর্যার সাধনা ও সংকট প্রতিফলিত হতে পারে, তার তাৎপর্য তুলে ধরতে প্রয়াসী হই আমরা। * যেকোনো কর্মকা-ে আমরা বড় পরিসরের ভাবনা ভাবতে পছন্দ করি এবং দূরের আবাহনে প্রয়াসী। তাই ধ্রুপদী সংগীতের উৎসবকে বর্তমান চিন্তা-চেতনার আরো কাছাকাছি আনতে, উৎসবের ধারণাটিকে স্থায়ী করতে, অনুষ্ঠানটিকে আরো অর্থময় ও প্রভাবসঞ্চারী করে তুলতে, আমরা উৎসবটিকে একটি নতুন পরিচয়ে পরিচিত করতে চেয়েছি। * চার বছর আগে আমরা ভেবেছিলাম, কীভাবে গানের উৎসবের একটি লোগো করা যায়। প্রেরণার উৎস হিসেবে মিউজিশিয়ানদের নিয়ে রামকিংকর, মীরা মুখার্জি ও শর্বরী রায় চৌধুরীর ভাস্কর্য আমাদের বেশি আকৃষ্ট করে। সংগীত পরিবেশনে ধ্যানরত একটি ফিগার আমরা লোগো হিসেবে নির্বাচন করি যার মূল ড্রইং করেছিলেন আমার সহকর্মী আকরাম রতন আর তাঁর তত্ত্বাবধানে যেটিকে স্কাল্পচারাল ফর্র্ম দিয়েছিলেন ভাস্কর তেজস হালদার। প্রতি বছর এই লোগোটি নিয়ে কিছু কিছু কাজ করা হয় কিন্তু এক পর্যায়ে মনে হলো, ফর্মের খুব শক্ত বাঁধুনিতে আটকে পড়ছে প্রতীকটি। ধ্রুপদী সংগীতে মিউজিক্যাল ইমপ্রোভাইজেশনের যে বড় জায়গাটি রয়েছে, সেটির তেমন প্রতিফলন আনা যাচ্ছে না এই ফর্মে। * বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও দর্শকের গ্রহণযোগ্যতার কথা মনে রেখেই নতুন করে সাজানো হয়েছে উৎসবের লোগো। ব্লুজ কমিউনিকেশনসের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ তাঁরা আমাদের ভাবনার সঙ্গে মিল রেখে ‘রি-ব্র্যান্ডিং’-এর কাজটি করেছেন। আগের ফর্ম ভেঙ্গ একটি ডাইনামিক, ফ্রি ও পরিবর্তনশীল ফর্ম তৈরি করা হয়েছে। লেখা ও রঙের ব্যবহারে নতুন মাত্রা যুক্ত করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত প্রেজেনটেশন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব বাংলাদেশ ২০১৫ নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবে থাকছে ধ্রুপদী সংগীতের নানা নিদর্শন। উৎসবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ওস্তাদ জাকির হোসেন। তিনি একক তবলা বাদন পরিবেশন করবেন। এবারের অন্য নতুন শিল্পীরা হচ্ছেন – বাঁশিশিল্পী জয়াপ্রদা রামমূর্তি। আপনারা জানেন বাঁশি শাখায় নারীশিল্পীর সংখ্যা নগণ্য তাই দক্ষিণী শিল্পী জয়াপ্রদার বাঁশিবাদন আমাদের জন্য নতুন পাওয়া। প্রথমবারের মতো আসছেন খ্যাতিমান কর্ণাটকি কণ্ঠশিল্পী পদ্মবিভূষণ ড. বালমুরালীকৃষ্ণ। তিনি এবারের প্রবীণতম শিল্পী। তাঁর সঙ্গে বাঁশিতে যুগলবন্দি বাজাবেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড নমিনি শিল্পী রনু মজুমদার। উৎসবে প্রথমবারের মতো আরো আসছেন জনপ্রিয় খেয়ালিয়া শুভা মুডগাল ও শ্রুতি সাদোলিকার ও ধ্রুপদিয়া ওয়াসিফউদ্দিন ডাগর। এন রাজমের নেতৃত্বে আসছেন কর্ণাটকি ধারার তিন প্রজন্মের বেহালা শিল্পী (এন রাজমকে ভারতের ‘ংরহমরহম ারড়ষরহ’ বলা হয়)। কুচিপুডি নৃত্য পরিবেশন করবেন বিশিষ্ট দম্পতি রাজা ও রাধা রেড্ডি। আসবেন একই পরিবারের দুজন ভিন্ন মেজাজের শিল্পী যাঁদের বাংলাদেশের সঙ্গে নাড়ির টান রয়েছে Ñ ইরশাদ খান ও সুজাত খান। ময়মনসিংহের গৌরীপুরের প্রবাদপ্রতিম সেতারিয়া ওস্তাদ বিলায়েৎ খাঁ সাহেবের ভ্রাতুষ্পুত্র ইরশাদ খান সুরবাহার বাজাবেন। বেলায়েৎ খাঁ সাহেবের সুযোগ্য পুত্র ওস্তাদ সুজাত খান পরিবেশন করবেন সেতার। উৎসবে নতুন যন্ত্র হিসেবে থাকছে সরস্বতী বীণা। পরিবেশন করবেন জয়ন্তী কুমারেশ। প্রায় বিলুপ্ত এস্রাজ বাজিয়ে শোনাবেন শুভায়ু সেন মজুমদার। দুই বছর আগে এই উৎসবে গেয়েছিলেন অস্কার নমিনেশনপ্রাপ্ত বম্বে জয়শ্রী। তিনি এবারও আসবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বছর ভরতনাট্যম পরিবেশন করেছিলেন আলারমেল ভাল্লি। তাঁকে আমরা এবারও পাব। গণেশ রাজাগোপালন গত বছর সরোদের সঙ্গে যুগলবন্দি বাজিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছিলেন। এবার গণেশ ও তাঁর ভাই কুমারেশ কর্ণাটকি বেহালায় যুগলবন্দি বাজাবেন। কড়াইকুডি মানি বিশ্বের অন্যতম মৃদঙ্গশিল্পী হিসেবে স্বীকৃত। গতবছর বাজিয়ে সকলের প্রশংসা অর্জন করেন। তিনি ও তাঁর দল এ বছরও ঢাকায় বাজাবেন। প্রথম বছর থেকেই আমরা আশীর্বাদ ও ভালোবাসা পেয়েছি প্রথিতযশা শিল্পী পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকার, পণ্ডিত উল্লাস কশলকার, পত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, পণ্ডিত কুশল দাস ও ওস্তাদ রাশিদ খানের। এঁরা প্রত্যেকেই এবার অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া জনপ্রিয় শিল্পী রাহুল শর্মা ((Wah Taj! Amabassador)) ও কৌশিকী চক্রবর্তীসহ উদয় ভাওয়ালকার ও সামিহান কশলকারও এবার থাকবেন। অনুষ্ঠানের সর্বকনিষ্ঠ দুজন শিল্পী ফাহমিদা নাজনীন ও মোহাম্মদ ভুবন। তাঁরা দুজনেই বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের দলীয় তবলা পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন। পণ্ডিত উৎসবে বাংলাদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণ বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবে এবার অংশগ্রহণ করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ। ড. অসিত রায়ের পরিচালনায় সংগীত বিভাগ আটজনের একটি দলীয় পরিবেশনা উপস্থাপন করবে। বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও সংগঠক মিনু বিল্লাহ্র পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ২২ জন নৃত্যশিল্পী। ওয়ার্দা রিহাবের পরিচালনায় মণিপুরী দলীয় নৃত্য পরিবেশন করবেন ৩০ জন নৃত্যশিল্পী। অনিমেষ বিজয় চৌধুরীর পরিচালনায় সিলেটের আটজন শিল্পী পরিবেশন করবেন ধামার। এই সকল দলীয় পরিবেশনা সফল করার লক্ষ্যে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন এ মাস থেকেই তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছে। এককভাবে মঞ্চে আসবেন বিশিষ্ট সরোদশিল্পী ইউসুফ খান। দলীয় তালবাদ্য পরিবেশন করবেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিশুশিল্পী মোহাম্মদ ভুবন, ফাহমিদা নাজনীন, সুপান্থ মজুমদার ও পঞ্চম স্যানাল। সংগীতালয়ের পক্ষে একক সংগীত পরিবেশন করবেন সুস্মিতা দেবনাথ শুচি আর ধ্রুপদ পরিবেশন করবেন অভিজিৎ কুণ্ডু। উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ
১. আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
২. গতবারের মতো অনলাইনে নিবন্ধন করে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবে বিনামূল্যে প্রবেশের পাস সংগ্রহ করতে হবে। নভেম্বর মাসের শুরু থেকে সীমিত সময়ের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন চলবে।
৩. যাদের হাতের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ নেই তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ধানমন্ডির বেঙ্গল গ্যালারি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বেঙ্গল সেন্টার, বনানীতে লখনৌ, উত্তরায় কুশল সেন্টার ও কারওয়ানবাজারে ডেইলি স্টার-বেঙ্গল আর্টস প্রিসিঙ্কটে নিবন্ধন করতে পারবেন।
৪. অফ-সাইট নিবন্ধন এবং মোবাইলে নিবন্ধন অনুষ্ঠানের প্রথম দুদিন পর্যন্ত চলবে। তৃতীয় দিন থেকে আর অফ-সাইট অথবা মোবাইলে নিবন্ধন করা যাবে না।
৫. অনুষ্ঠানস্থলে এবার নিবন্ধন করা যাবে না।
৬. তৃতীয় দিন (২৯ নভেম্বর) থেকে রাত ১টায় গেট বন্ধ হয়ে যাবে।
৭. আগের বারের মতো শ্রোতাদের আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে উৎসব প্রাঙ্গণ অভিমুখী বাস থাকবে।
৮. মাঠে ঢোকার ব্যবস্থাপনা আরো সুসংগঠিত করা হবে, যেন উৎসব প্রাঙ্গণে ঢুকতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়। ৯. গতবার খাবারের জায়গা ও শৌচাগার স্বল্পতার জন্য অনেক দর্শক অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছেন। এবার সে সমস্যা নিরসনে আমরা সচেষ্ট থাকব।
১০. নীতিমালা অনুযায়ী প্রেস এবং মিডিয়ার জন্য সংবাদ সংগ্রহের সবরকম সুবিধা থাকবে। ১১. খবরাখবরের জন্যে দেখুন
ww.bengalfoundation.org এবং www.facebook.com/bfmusicfest বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব বাংলাদেশ ২০১৫-এর নিবেদক স্কয়ার গ্রুপ। আয়োজন সমর্থন করছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। টেলিকম সহযোগী হিসেবে আছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড। সম্প্রচার সহযোগী হিসেবে রয়েছে মাছরাঙা টেলিভিশন। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার আইস বিজনেস টাইমস। আতিথেয়তা সহযোগী হিসেবে আছে লা মেরিডিয়ান ঢাকা। ইভেন্ট ব্যবস্থাপনায় ব্লুজ কমিউনিকেশনস। সৌজন্যে বেঙ্গল ডিজিটাল। সহযোগী হিসেবে আছে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধু আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই উদ্যোগ সফল হবে। অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত। আমাদের বিশ্বাস, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চাই মানুষকে নৈরাজ্য থেকে দূরে রাখে। এই পথচলায় আপনারা সঙ্গী হবেন, এই আশা করি। লুভা নাহিদ চৌধুরী বেঙ্গল ফাউন্ডেশন মিডিয়া ব্যবস্থাপনা তওফিকুল আলম ০১৭১৩০৬৯১৬৫ [email protected] এন রাশেদ চৌধুরী ০১৭১৩০৩৭৬৬০ [email protected] www.bengalfoundation.org