Subir Choudhury Practice Grant for young and emerging artists
Bengal Foundation announced the recipient of the 2015/2016 Subir Choudhury Practice Grant on Friday, 16th October, 2015 at 6.00 PM at the Bengal Shilpalaya. Publisher & Editor of The Daily Star, Mr Mahfuz Anam, was present as chief guest.
On 3rd July, 2015, Bengal Foundation initiated the annual Subir Choudhury Practice Grant to commemorate our late colleague and Trustee, Subir Choudhury’s life-long contribution to developing a support-structure for artists from Bangladesh.
We hope that the Subir Choudhury Practice Grant will not only celebrate the life and career of Subir Choudhury who, throughout a career that spanned four decades, dedicated himself to creating opportunities at home and abroad for artists from across the country, but will also present a significant, annual opportunity for talented and committed emerging artists who are trying to establish and develop their own artistic practices in Bangladesh.
Award Ceremony:
6.00 PM, Friday, 16 October 2015
Bengal Shilpalaya, House-42, Road-27 (old), Dhanmondi R/A, Dhaka-1209
তরুণ ও উদীয়মান শিল্পীদের জন্য সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি
পটভূমি
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের অন্যতম ট্রাস্টি, বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টসের পরিচালক, আমাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও সুহৃদ সুবীর চৌধুরী গত ৩০ জুন ২০১৪ পরলোকগমন করেন। তাঁর সম্মানে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন তরুণ ও উদীয়মান শিল্পীদের জন্য বার্ষিক সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি (Subir Choudhury Practice Grant) প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বৃত্তি প্রদানের সূচনা-বর্ষে অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর বয়সী শিল্পীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে। প্রাপ্ত আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রতিভাবান, উদীয়মান এবং শিল্পের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একজন শিল্পীকে নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিত শিল্পীকে শিল্পচর্চার জন্য দুই থেকে চার লাখ টাকা ২০১৫-১৬ সময়কালের মধ্যে অনুদান হিসেবে প্রদান করা হবে।
যোগ্যতা
ক. আবেদনকারীকে প্রধানত বাংলাদেশে বসবাস এবং কাজ করতে হবে।
খ. আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখে (২৫ আগস্ট ২০১৫) আবেদনকারীর বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে।
গ. সক্রিয়, সৃজনক্ষম, উদ্যোগী ও নবীন মাত্রা সঞ্চারী শিল্পচর্চায় নিয়োজিত আছেন এমন শিল্পী আবেদন করতে পারবেন।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য এবং মূলধারার বাইরে অথবা বিকল্প ধারায় শিক্ষাগ্রহণ করেছেন এমন শিল্পী, যিনি অর্থবহ শিল্পচর্চায় নিয়োজিত আছেন, তাঁর কাছ থেকে আবেদনপত্র পেতে আমরা সবিশেষ আগ্রহী।
যেসব ক্ষেত্রে আবেদন বিবেচনা করা হবে না
ক. উচ্চশিক্ষা।
খ. কমিশনকৃত কাজ সমাপ্তির জন্য।
গ. বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে শিল্পকর্ম নির্মাণের জন্য।
ঘ. বিদেশ ভ্রমণ এবং/অথবা রেসিডেন্সিতে অংশগ্রহণের জন্য।
২০১৫/১৬ সালের বৃত্তির সময়সূচি *
৩ জুলাই ২০১৫ – ঘোষণা
সুবীর চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি ২০১৫/১৬-এর উন্মুক্ত আবেদনের জন্য ঘোষণা প্রদান করা হবে।
২৫ আগস্ট ২০১৫ – আবেদন গ্রহণের শেষ দিন
আবেদনপত্র www.bengalfoundation.org থেকে বাংলায় বা ইংরেজিতে ডাউনলোড করা যাবে।
২৬ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ – যাচাই
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের অতীতকালীন অনুদান বা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিল্পী বা সংস্থার প্রতিনিধি, অন্যান্য শিল্পী এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশন মনোনীত কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ আবেদনপত্র যাচাই করবে।
৭-৮ অক্টোবর ২০১৫ – উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার
জমা পড়া আবেদনপত্র থেকে বাছাই করে নির্বাচিত প্রার্থীদের উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার।
১৬ অক্টোবর ২০১৫- নির্বাচিত প্রার্থীর নাম ঘোষণা
এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি ২০১৫/১৬-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ – শিল্পকর্ম উপস্থাপন
সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি ২০১৫/১৬-প্রাপ্ত শিল্পীর শিল্পকর্মের আনুষ্ঠানিক উপস্থাপন
(উল্লেখ্য সুবীর চৌধুরীর জন্মদিন ২২ ফেব্রুয়ারি)
* সময়সূচি পরিবর্তিত হলে তা বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট www.bengalfoundation.org এ জানিয়ে দেওয়া হবে।
বৃত্তির সুবিধা
ক. বৃত্তিপ্রাপ্ত শিল্পী তাঁর সৃজনধর্মিতাকে অবলম্বন করে শিল্পচর্চায় একান্তভাবে মনোনিবেশ করতে পারবেন। তাঁর শৈল্পিক চেতনাকে উন্মোচিত করে নতুন চিন্তা ও জিজ্ঞাসা অন্বেষণ করতে পারবেন।
খ. শিল্পী নতুন মাধ্যমে নিরিক্ষাধর্মী কাজ করতে পারবেন। যে শিল্পমাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হবে তার ওপর নির্ভর করে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে ফেব্রুয়ারি ২০১৬-এ জনসমক্ষে শিল্পকর্ম প্রদর্শন ও উপস্থাপনের উপায় নির্ধারণ করা হবে। আশা করা যায় প্রদর্শিত শিল্পকর্ম, শিল্পীর সৃজনধর্মিতা (Artist’s Objective/ Statement) ও প্রদর্শনের অভিনবত্ব বাংলাদেশে তরুণদের শিল্পচর্চাকে আরো অর্থবহ ও গতিশীল করবে।
গ. বৃত্তিপ্রাপ্ত শিল্পী এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মধ্যে সম্পর্ক অব্যাহত রাখার জন্য শিল্পীকে সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি-র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে ভবিষ্যতে মনোনীত করা হতে পারে।
ঘ. শিল্পী বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ভিজুয়াল আর্টস প্রোগ্রামের সঙ্গে বৃহত্তর পরিসরে সংশ্লিষ্ট থাকবেন এবং প্রয়োজনে অন্যান্য শাখায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন বৃত্তিপ্রাপ্তদের সঙ্গে কোনো যৌথ শিল্প-প্রয়াসে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
ঙ. বৃত্তিপ্রাপ্ত শিল্পী আগ্রহী হলে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চারুকলাবিষয়ক কার্যক্রমের আওতায়, নতুন চিন্তা বা উদ্ভাবন অন্বেষণ বা গবেষণা কাজের জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
চ. শিল্পী বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর আর্কাইভ ও পাঠাগারে অধ্যয়ন করার সুযোগ পাবেন।
প্রত্যাশা
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আশাবাদী যে, সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি শিল্পের সেবক হিসেবে সুবীর চৌধুরীর অনুকরণীয় জীবন ও কর্মকে সম্মানিত করবে এবং প্রতিশ্রুতিশীল ও উদীয়মান শিল্পীদের একটি স্বতন্ত্র ও মৌলিক শিল্পচর্চার ধারা প্রতিষ্ঠায় এবং শিল্পচর্চা উদ্ভাবনে ও উন্নয়নে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।
অন্যান্য বিবেচনা
আশা করা হচ্ছে, যে-শিল্পী বৃত্তির জন্য বিবেচিত হবেন, তিনি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে অনুধাবন করবেন এবং তাঁর কাজের মাধ্যমে সেগুলো প্রকাশ করতে সমর্থ হবেন।
ক. বাংলাদেশে কাজ করেন এবং বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বা বৃহত্তর অর্থে দেশের চিন্তাপ্রসূত শিল্পচর্চা করেন।
খ. বাংলাদেশে স্বতন্ত্র, সক্রিয়, সৃজনশীল ও ফলপ্রসূ শিল্পচর্চা (art practice) অব্যাহত রেখেছেন।
গ. মৌলিক ও স্বতন্ত্র ধারায় কাজ করেন।
ঘ. বৃত্তিপ্রাপ্ত হলে তাঁর চর্চা, গবেষণা বা কাজ নিশ্চিতভাবে আরো উন্নত ও অর্থবহ হবে।
বিস্তারিত তথ্য ও অনুসন্ধান
সুবীর চৌধুরী শিল্পচর্চা বৃত্তি ২০১৫/১৬-এর আবেদনপত্র, আবেদনের প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে
www.bengalfoundation.org দেখুন, [email protected] এই ঠিকানায় লিখুন অথবা +৮৮০ ১৭৫৫৬১৭৭৯৬ নম্বরে ফোন করে তথ্য অনুসন্ধান করুন।
To Fill Online Aplication Form Click here
To Download Form Click here
সুবীর চৌধুরী ১৯৫৩-২০১৪
প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে বাংলাদেশের চারুকলা চর্চা ও এর বিস্তারে নব প্রাণশক্তির উন্মেষ এবং শিল্পীদের জন্য দেশে-বিদেশে নানাবিধ সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সুবীর চৌধুরী ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। শিল্পীদের জন্য তাঁর সহমর্মিতা ও আনুকূল্যে সুস্পষ্ট হয় যখন তিনি ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর চারুকলা বিভাগে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে তিনি বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সময় থেকে ২০১৪ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বেঙ্গল গ্যালারির পরিচালক এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি হিসেবে বাংলাদেশের শিল্পীদের শিল্পচর্চায় সহযোগিতার বহুবিধ উপায়-সন্ধানে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন তিনি। শিল্পীদের বৃত্তি প্রদান, দেশ-বিদেশে চিত্র-প্রদর্শনীর আয়োজন, ক্যাটালগ এবং শিল্পকলা বিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণ করা, দেশি-বিদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণে আর্ট ক্যাম্প আয়োজন, শিল্পীদের জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ, শিল্পবিষয়ক সংলাপ আয়োজনসহ বহুবিধ কর্মে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। সর্বোপরি শিল্পী, শিল্পবোদ্ধা, লেখক, সহায়ক প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের স্বজনদের সমন্বয়ে একটি শিল্পবলয় গড়ে তুলেছিলেন সুবীর চৌধুরী।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি ট্রাস্ট, যা সংস্কৃতির পরিচর্যায় নিরন্তর কাজ করে চলেছে। আশির দশকে আবুল খায়ের বেঙ্গল ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সমকালীন চর্চার বার্তা দেশে-বিদেশে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিগত বছরগুলোয় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন সংগীত, সাহিত্য, কারুশিল্প, চলচ্চিত্র, স্থাপত্যশিল্প এবং চারুকলা বিষয়ে বহু তৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একজন শিল্পীর বিকাশে নানা প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে গড়ে উঠেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চারুকলাবিষয়ক কার্যক্রম ‘বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ভিজুয়াল আর্টস প্রোগ্রাম’ (Bengal Foundation Visual Arts Programme)। শিল্পবিষয়ক বৃত্তি প্রদান, প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা, প্রচার, তথ্য বিস্তার ও গণসংযোগসহ এই কার্যক্রমের প্রধান লক্ষ্য হলো –
ক. বাংলাদেশ এবং বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ায় চারুকলা বিষয়ক গবেষণা, লেখালেখি এবং শিল্পকর্ম সংরক্ষণ উদ্যোগে সহযোগিতা প্রদান।
খ. দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশি শিল্পীদের স্বাতন্ত্র্য ও মৌলিক শিল্পচর্চার ধারা প্রতিষ্ঠায় সুযোগ সৃষ্টি করা।
গ. দেশে-বিদেশে বাংলাদেশি শিল্পীদের নবীন মাত্রার (innovative) কাজের অর্থবহ (meaningful) ও তথ্যবহুল (informative) অবাণিজ্যিক প্রদর্শনী আয়োজন এবং এমন উদ্যোগে সহায়তা করা।
ঘ. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস ও বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জ গ্যালারিসমূহের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্পীদের কাজের চাহিদা সৃষ্টি করা এবং সেগুলো বিপণনের জন্য প্রত্যক্ষ (primary) ও বিস্তৃত পরিসরের (secondary) বাজার সৃষ্টির উদ্যোগকে উৎসাহিত করা ও সহায়তা দান।