Anniversary Exhibition I ROOTED CREATIVITY
14 April 2010, 1 Baishak 1417, the Bengali New Year’s Day, was the 10th anniversary of the foundation day of the Bengal Gallery of Fine Arts. Since its inception ten years ago the gallery has been devotedly working to ensure the continued development of art and culture in Bangladesh. In particular it has been consistently making efforts to enhance the vitality of the country’s art scene. To celebrate its 10th anniversary the Bengal Gallery of Fine Arts has drawn up a year-long programme which includes exhibitions, anniversary lectures, seminars, cultural programmes, artists’ get-togethers, and more. The year-long celebration will start with ‘Rooted Creativity’, the first of a series of 10 group shows. Each of these will feature works by 10 artists. The exhibition was inaugurated on Friday, 16 April 2010, by the eminent educationist, National Professor Kabir Chowdhury, who graced the occasion as Chief Guest. Congratulatory speeches were delivered by Special Guests Professor Emeritus Dr. Anisuzzaman, Professor Borhanuddin Khan Jahangir, artist Qayyum Chowdhury, poet Syed Shamsul Haq and theatre personality Ramendu Majumdar. Mr. Mohammad Mamdudur Rashid, Deputy Managing Director, BRAC Bank Ltd., was present as the Guest of Honour.
As part of its 10th anniversary celebration, Bengal Gallery of Fine Arts (BGFA) prepared a yearlong art calendar featuring 10 exhibitions, each participated by 10 artists, eventually showcasing 100 artists from three generations. The gallery plans to publish a book detailing the work done by these 100 artists. There have been seminars, workshops and other events aimed at promoting art and artists and generating awareness and appreciation among the people about Bangladesh’s art. BGFA strongly believes that unless people own their artistic and artisanal practices, no meaningful practice can be sustained for long.
The first exhibition put together works of three generations of artists, starting with Safiuddin Ahmed, and ending with Shahabuddin. Others were Mohammad Kibria, Qayyum Chowdhury, Murtaja Baseer, Syed Jahangir, Hashem Khan, Rafiqun Nabi, Monirul Islam and Mahmudul Haque.
দশ বছর আগে ১লা বৈশাখ ১৪০৭/ ১৪ এপ্রিল ২০০০ সনে দেশের অগ্রগণ্য শিল্পী মোহাম্মদ কিবরিয়ার একক প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে বেঙ্গল শিল্পালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করেছিলেন এ-কালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী ও পরিশীলিত ব্যক্তিত্ব সফিউদ্দিন আহমেদ। এদেশের চিত্রকলা আন্দোলনকে বেঙ্গল শিল্পালয় কতভাবে যে রসসিঞ্চন করেছে তা বলে শেষ করা যায় না। বেঙ্গল শিল্পালয় চিত্রকলার অনুরাগী দর্শক সৃষ্টি করেছে ও সত্যিকার অর্থেই বাজার সৃষ্টি করেছে। বেঙ্গল শিল্পালয়ের জন্মের পূর্বে এদেশে চিত্রশিল্পের গ্যালারি ছিল না তা নয়। ষাটের দশক থেকেই দু-একটি গ্যালারি যাত্রা শুরু করেছিল। এই প্রয়াসে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর গ্যালারিগুলোর অবদানও অনস্বীকার্য। বেশ কিছুদিন টিকেও ছিল এইসব গ্যালারির কোনো কোনোটি এবং পরবর্তীকালে গ্যালারিগুলো চিত্রবিপণন করেছিল। বিশেষত নব্বই দশকে চিত্রশিল্পীদের বিকাশ, উন্নয়ন ও বিপণনে অন্য দু-একটি গ্যালারির আন্তরিক প্রয়াস স্মরণযোগ্য। বেঙ্গলের প্রযত্নে আকাক্ষিত একটি বাজার, শিল্পানুরাগী ও সংগ্রাহক সৃষ্টির ফলে এদেশের চিত্রশিল্পীরা শুধু আর্থিকভাবে লাভবান হননি, তাঁদের সৃষ্টির উন্মুখতা বৈচিত্র্যসন্ধানী, নিরীক্ষাপ্রবণ ও উত্তরণপ্রয়াসী হয়েছে। এই দশ বছরে চিত্রশিল্প একটি পথনির্মাণ করতেও সমর্থ হয়েছে। এই সঙ্গে গড়ে উঠেছে শিল্পরুচি। শিল্পরুচি গড়ে তোলা নিয়ে আক্ষেপ করেছিলেন একদা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। সুন্দরের অভ্যর্থনা ও রুচির নির্মিতিতে উদ্দীপক বিভাব সৃষ্টি করার কাজ খুব সহজ ছিল না। আচার্য জয়নুল আবেদিনের সেই আক্ষেপই নিরসন করল বেঙ্গল শিল্পালয় তাঁর নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। বিরতিহীন এ কর্মে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন এখনো ব্যাপৃত। এই শিল্পরুচি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আবহে গভীর তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে। উচ্চমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের মধ্যে চিত্রকলা সম্পর্কে যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে কিংবা গৃহের অভ্যন্তরীণ সজ্জার সঙ্গে চিত্র যেভাবে অঙ্গীভূত হয়েছে তার জন্য এই শিল্পালয়ের বহুমুখী অবদান রয়েছে। বেঙ্গল শিল্পালয় এই দশ বছরে ১৭৮টি প্রদর্শনী করেছে। এর মধ্যে একক ছিল ১২৮টি আর যৌথ প্রদর্শনী ৫০টি। এছাড়া আয়োজন করা হয়েছিল ২৬টি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর। বেঙ্গল শিল্পালয় বিদেশে প্রদর্শনী করেছে ১০টি। প্রত্যেকটি প্রদর্শনীতেই দর্শক-উপস্থিতি ছিল আশাব্যঞ্জক। এছাড়া বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বেঙ্গল শিল্পালয় দেশে ও বিদেশে ১০টি আর্টক্যাম্পের আয়োজন করেছে। এই আর্টক্যাম্পগুলোতে শিল্পীরা তাঁদের নির্মাণ ও সৃষ্টি নিয়ে একদিকে যেমন ছিলেন তৎপর, অন্যদিকে ভাবের আদান-প্রদানে ছিলেন আন্তরিক। তর্ক ও বিতর্ক হয়েছে যেমন, পারম্পরিক সৃষ্টির অনুষঙ্গ শনাক্ত হয়েছে তেমনি চিত্রকরেরা তাঁদের মানসভুবনকে এভাবেই সমৃদ্ধ করেছেন এবং এভাবে আর্টক্যাম্প সার্থকতায় পৌঁছেছে। বেঙ্গল শিল্পালয় জন্মলগ্নে প্রবীণদের প্রাধান্য দিলেও পরবর্তীকালে নবীনদের সৃজন উদ্যোগকে আরো উৎসাহদানের উদ্দেশ্যে এই গ্যালারির দ্বার নবীনদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। এবং এই প্রযত্নে ও পরিচর্যায় নবীন চিত্রশিল্পীরা প্রাণিত বোধ করেন। চিত্রকলা আন্দোলন পূর্ণতা অর্জন করে। প্রতিষ্ঠিত চিত্রকরদের সঙ্গে নবীন চিত্রকরদের অভিব্যক্তি, চিত্রকরদের মানসযাত্রা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা তুলে ধরার জন্য বেঙ্গল শিল্পালয় ছিল সর্বদা সজাগ। এক্ষেত্রে বেঙ্গল শিল্পালয় যে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে, সে-বিষয়ে আজ আর সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। আলোচনাসভা ও সেমিনারও আয়োজন করেছে বেঙ্গল শিল্পালয়। এসব আলোচনাসভা ও সেমিনারে শিল্পী, শিল্পানুরাগী ও শিল্প-সমালোচকরা দেশের চিত্রকলা আন্দোলন ও প্রয়াস নিয়ে মুক্তমনে আলোচনা করেছেন। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে দেশের শিল্পযাত্রার, নিরীক্ষার ও সম্ভাবনার নানা দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিল্পাঙ্গন এখন সজীব ও প্রাণবন্ত। বেসরকারি উদ্যোগে বহির্বিশ্বে এদেশের চিত্রকলা-প্রদর্শনীর ব্যবস্থা গ্রহণে ও গন্থনে বেঙ্গল শিল্পালয় অগ্রণী দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশের চিত্রকলা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বহির্বিশ্বের চিত্রানুরাগীরা বাংলাদেশের চিত্রকলার গতি-প্রকৃতি ও শিল্পীদের মানসভুবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের জন্য এ এক বৃহৎ প্রাপ্তি। বেঙ্গল শিল্পালয় তথা বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টসের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দশটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। দশজন শিল্পীর প্রথম প্রদর্শনী।
Date: 16.04.2010 – 30.04.2010
Venue: Bengal Gallery of Fine Arts
Organiser: Bengal Foundation