গানের ঝরনা তলায়

১৩, ১৪ ও ১৫ জুন ২০১৯ বেঙ্গল শিল্পালয়ে আয়োজিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ‘গানের ঝরনা তলায়’। প্রথম দিন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের নিয়মিত শাস্ত্রীয়সংগীত আসর বৈঠক, দ্বিতীয় দিন প্রাণের খেলা এবং শেষ দিন সিডি প্রকাশনা অনুষ্ঠান।
গানের ঝরনা তলায়’আপনাকে সবান্ধব সাদর আমন্ত্রণ।

– বেঙ্গল ফাউন্ডেশন

প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা
বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার
১৩, ১৪ এবং ১৫ জুন ২০১৯

বেঙ্গল শিল্পালয়
নিচতলা, বাড়ি ৪২,  সড়ক ১৬,  ধানমণ্ডি, ঢাকা ১২০৯
যোগাযোগ : ০১৭১ ১৮১ ৭৭৪৯

  • শিল্পালয়ে ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ নিষেধ। কাউন্টারে ব্যাগ জমা দিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ সঙ্গে রাখতে পারবেন।
  • ঢাকার বাইরের দর্শকদের সুবিধার্থে পুরো অনুষ্ঠানটি বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ফেসবুক পেইজের লিংক: www.facebook.com/BengalFoundation.
  •  অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উম্মুক্ত।

প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০১৯ . ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
বৈঠক   বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়
দলীয় তবলাবাদন । সজীব বিশ্বাস, অর্পণ চৌধুরী ও সুপান্থ মজুমদার । হারমোনিয়ামে অভিজিৎ কুণ্ড‍ু

সজীব বিশ্বাস
সজীব বিশ্বাস বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের তবলা বিভাগের একজন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী। জন্মস্থান  নবীনগর, ব্রাহ্মনবাড়িয়া। ৫ বছর বয়স থেকে তবলা শেখা শুরু। শ্রদ্ধেয় শ্রী প্রদীপ শীল এর কাছে ২ বছর, শ্রী তপন দত্ত এর কাছে ১১ বছর এবং শ্রী সুদেব কুমার দাস এর কাছে ৪ বছর তবলায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। ২০১৭ সাল থেকে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শ্রদ্ধেয় গুরু তালযোগী পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকারের কাছে তালিম গ্রহণ করছেন।

অর্পণ চৌধুরী
অর্পণ চৌধুরী বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের তবলা বিভাগের একজন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী।  জন্মস্থান কতোয়ালী, কুমিল্লা। মা মীরা চৌধুরীর উৎসাহে ৬ বছর বয়স থেকে তবলা শেখা শুরু করেন অর্পণ। হাতেখড়ি হয়েছিল শ্রী অনূপ কুমার নন্দীর কাছে । পরবর্তীতে শ্রী পিনুসেন দাস এবং ছায়নটে জনাব স্বরুপ হোসেনের কাছ থেকে তালিম গ্রহণ করেন। ২০১৭ সাল থেকে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শ্রদ্ধেয় গুরু তালযোগী পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকারের কাছে তালিম গ্রহণ করছেন।

সুপান্থ মজুমদার

সুপান্থ মজুমদার বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের তবলা বিভাগের একজন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী। জন্মস্থান ঘোষপাড়া, নওগাঁ। তবলায় হাতেখড়ি বাবা মৃত্যুঞ্জয় মজুমদারের কাছে। ১০/১১ বছর বয়স থেকে তবলা শেখা শুরু। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে তবলা শেখা শুরু হয় ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ঢাকাতে। সেখানে নতুন করে তবলা শেখা শুরু হয় ২০১১ সালে শ্রদ্ধেয় গুরু পণ্ডিত গোপাল মিশ্রের কাছে। এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত তালিম চলে। ২০১৪ সালে বাবার ইচ্ছায় এবং বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ে অডিশনের উত্তীর্ণ হয়ে সুপান্থ আবার তবলা শিক্ষা শুরু করেন। বর্তমানে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শ্রদ্ধেয় গুরু তালযোগী পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকারের কাছে তালিম গ্রহণ করছেন।

যুগলবাদন এসরাজ ও সারেঙ্গি । মো. রায়হানুল আমিন ও শৌণক দেবনাথ । তবলায় অঞ্জন সরকার

মোঃ রায়হানুল আমিন
মোঃ রায়হানুল আমিন কল্লোল জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এসরাজে হাতেখড়ি শ্রী অসিত বিশ্বাসের কাছে। ২০১৮ সাল থেকে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ে এসরাজ বিভাগের শিক্ষাগুরু শ্রী দেবাশীষ হালদারের নিকট নিয়মিত তালিম গ্রহণ করছেন।

শৌণক দেবনাথ
ছোটোবলোয় মা শুল্কা হালদারের কাছে সঙ্গীতে হাতখেড়ি । জন্মস্থান শান্তিনগর, ঢাকা। এরপর বিশিষ্ট শিল্পী সুমন চৌধুরী ও সঙ্গীতার্চায রেজোয়ান আলীর লাবলুর কাছে সঙ্গীতে তালিম গ্রহণ করেন। তিনি ছায়ানট সঙ্গীতবদ্যিায়তনের শিশু প্রথম বর্ষে র শিক্ষার্থী । র্বতমানে তিনি বেঙ্গল  সংগীতালয়ে শ্রী দেবাশীষ হালদাররে নিকট এস্রাজ বিভাগে তালিম গ্রহণ করছেন।

খেয়াল । সুপ্রিয়া দাশ । তবলায় প্রশান্ত ভৌমিক, হারমোনিয়ামে অভিজিৎ কুণ্ড‍ু
খেয়াল (রাগ- বাগেশ্রী, সোহিনী)

সুপ্রিয়া দাশ
সুপ্রিয়া দাশ বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত খেয়াল বিভাগের শিক্ষার্থী। জন্মস্থান : শিবগঞ্জ, সিলেট। সুপ্রিয়ার সংগীতে হাতেখড়ি মা সুজাতা পাল এর কাছে। এরপর পণ্ডিত রাম কানাই দাস, রেজওয়ান আলি লাভলু এবং ২০১৪ সালে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলনের প্রস্তুতির জন্য বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কলকাতায় এসআরএ তে ১০ দিনব্যাপি পণ্ডিত উলহাস কশলকার এর কাছে তালিম গ্রহন করেন। বর্তমানে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ে খেয়াল বিভাগের গুরু পণ্ডিত উলহাস কশলকার এর কাছে তালিম গ্রহণ করছেন।

দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ১৪ জুন ২০১৯ . ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
প্রাণের খেলা । রবীন্দ্রনাথের গান । ফাহিম হোসেন চৌধুরী
নূর-ই-রেজিয়া মম ও আদ্রিনা জামিলী

শিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী

ফাহিম হোসেন চৌধুরীর জন্ম ফরিদপুর জেলায়। সংগীত শিক্ষা শুরু করেন ফরিদপুরের বিশিষ্ট সংগীত গুরু প্রয়াত প্রাণবন্ধু সাহা ও সেলিম মজুমদারের কাছে। গুরু নিতাই রায়ের কাছে পেয়েছেন শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম। সংগীত শিক্ষা ও সান্নিধ্য লাভ করেছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব কলিম শরাফী এবং অজিত রায়ের। প্রাতিষ্ঠানিক সংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেন ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে। ১৯৬৯ সালে ফাহিম হোসেন চৌধুরী সংগীত প্রতিযোগীতায় ফরিদপুর জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৩ সাল থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত শিল্পী। তাঁর প্রথম রবীন্দ্রসংগীতের ক্যাসেট প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালে। এ পর্যন্ত শিল্পী ফাহিম হোসেনের তিনটি গানের সিডি প্রকাশিত হয়েছে। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে তাঁর কণ্ঠে ধারণকৃত রবীন্দ্রসংগীতের একক অ্যালবাম ‘দখিন দুয়ার’ এবং সম্মিলিত কণ্ঠে ‘মুক্ত করো ভয়’ প্রকাশিত হয়েছে । রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি থেকে পেয়েছেন ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০১৮’। বর্তমানে তিনি দক্ষিণী রবীন্দ্র সংগীতাঙ্গণের সভাপতি।

শিল্পী আদ্রিনা জামিলী

নতুন প্রজন্মের গানের দল টেগোরকাভার্স -এর সদস্য আদ্রিনা জামিলী। চার বছর বয়সে মায়ের কাছে গানের হাতেখড়ি আদ্রিনার। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সংগীত শিক্ষা শুরু করেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমীতে। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সুরের ধারায় রবীন্দ্রসংগীত শেখা শুরু। গুরু হিসেবে সান্নিধ্য লাভ করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা’র। সংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেছেন আজিজুর রহমান তুহিন এবং কৃষ্ণকান্ত আচার্য্য’র কাছে। আদ্রিনা জামিলী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ প্রতিযোগিতায় প্রথম মান লাভ করেন। ২০১০ সালে লন্ডনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল ভয়েজেস’-এ বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন। আইসিসিআর -এর আমন্ত্রণে গান করার সুযোগ লাভ করেন ভারতের তিনটি শহরে। বর্তমানে আদ্রিনা জামিলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

শিল্পী নূর-ই-রেজিয়া মম

নূর-ই-রেজিয়া মম’র সংগীত যাত্রা শুরু চার বছর বয়সে তার ”লিখা” আন্টির হাত ধরে। তারপর প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে বিশিষ্ট শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার কাছে সুরের ধারা’য় সংগীত শিক্ষা অর্জন শেষে শেখানেই সংগীত শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন কিছুদিন। রবীন্দ্রসংগীত বিভাগে জাতীয় শিশু পুরস্কারে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। নূর-ই-রেজিয়া মম জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ প্রতিযোগিতায় প্রথম মান লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র গেরিলা তে গান করেছেন মম। ভারতীয় হাই কমিশন আমন্ত্রিত ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন ২০১৯’-এ সুরের ধারার প্রতিনিধি হিসেবে সংগীত পরিবেশন করেন। শ্রুতি গীতবিতান অ্যালবামে রয়েছে তার কণ্ঠে গাওয়া কয়েকটি গান। রবীন্দ্রসংগীত চর্চার পাশাপাশি টেলিভিশনে উপস্থাপনা করেন। বর্তমানে মম অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তৃতীয় দিন শনিবার ১৫ জুন ২০১৯ . ১ আষাঢ় ১৪২৬
চন্দনা মজুমদারের কণ্ঠে ধারণ করা রাধারমণের গানের অ্যালবাম প্রাণবন্ধু বিহনে’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান। মোড়ক উন্মোচন করবেন সংগীতব্যক্তিত্ব আকরামুল ইসলাম।

চন্দনা মজুমদার
চন্দনা মজুমদারের জন্ম কুষ্টিয়া জেলায়। পরিবারে গানের আবহে বেড়ে ওঠেন। প্রধানত বাবার কাছে গান শেখা। পরে শিল্পকলা একাডেমি থেকে সংগীতে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। বর্তমানে ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনের শিক্ষক। লালনগীতি, বিজয় সরকারের গানসহ লোকসংগীতের প্রায় সব ধারায় পারদর্শী এই শিল্পী ২০০৮ সালে সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড ও ২০০৯ সালে মনপুরা ছায়াছবিতে অসামান্য প্লেব্যাকের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এ যাবত বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ব্যানারে ৬টি সহ পনেরোটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংগীত পরিবেশন করে সুনাম অর্জন করেছেন।

Enter your keyword