Projecting a culturally rich Bangladesh to a global audience

Contact Us

Rezwan Ali Lavlu

বাবা প্রয়াত এবি লুৎফি আলী এবং মা প্রয়াত আনোয়ারা বেগম এর ষষ্ঠ সম্পন রেজোয়ান আলীর জনম ১৯৬৩ সালে মাগুরায়। সংগীতে তার হাতেখড়ি হয় ১৫ বছর বয়সে মাগুরা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত শিক্ষক ভোলানাথ ভট্টচার্য মহাশয়ের কাছে। তারপর থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত তিনি গান শেখেন অধ্যক্ষ চন্ডীপ্রসাদ চ্যাটার্যীর কাছে। ১৯৮৪-১৯৮৮ পর্যন্ত ব্যাপ্ত ৩য় পর্বে তিনি পান ঢাকার ওস্তাদ আব্দুল বারী খান সাহেবের  তালিম। এই সময়টায় তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নজরুল সংগীতের পাঠও নেন। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত আইসিসি আর স্কলারশিপের অধীনে বরোদার এম এস বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার সময় বিভিন্ন মেয়াদে তিনি গোয়ালিয়র ঘরণার পন্ডিত শাকান্ত গার্গে, পন্ডিত অনিলভাই বৈষ্ণব, পন্ডিত ঈশ্বরভাই যাদব, পন্ডিত দ্বারকানাথ ভোসলে জয়পুর ঘরণার বিদূষী শুভোদা দেশাই, কিরানা ঘরণার পন্ডিত লক্ষ্মীক্লান্ত পিয়ারেলাল ভাপাত প্রমূখের তালিম লাভ করেন। এছাড়াও তার সৌভাগ্য হয় পন্ডিত হরিশচন্দ্র চতুর্বেদী মহাশয়ের কাছে নৌহার বাণীর ধ্রুপদ সংগীতের তালিম নেবার। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ পর্যন্ত মুম্বাইয়ে গন্ধর্ব মহাবিদ্যালয়ে গবেষণাকালে গোয়ালিয়র-জয়পুর ঘরণার পন্ডিত ভি আর আঠওয়ালে এবং পন্ডিত অরুণ কশালকার এর কাছে তালিম নেন। তবে প্রধানত : যে-শৈলীতে একজন শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী হিসেবে তিনি রাগ রূপায়ন করে থাকেন তার প্রেক্ষাপটে ক্রিয়াশীল গোয়ালিয়র ঘরণার পন্ডিত নারায়ণ  রাও পটবর্ধনের কাছেসাত বছরের তালিম এবং আগ্রা ঘরণার বিধূষী কল্পনা ভট্টাচার্যের কাছে তার চলমান তালিম। ২০০০ সালে তিনি শাস্ত্রীয় সংগীতে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেছেন। ১৯৯৫ সাল থেকে রেজোয়ান আলী শিক্ষকতা করছেন ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে। পাশাপাশি বাংলাদেশের নানা প্রান্তে সংগীত প্রশিক্ষণের কাছে ছুটে বেড়ান তিনি। এ বছর লক্ষ্যাপার গৃহীত  নয়- দিন-ব্যাপী কর্মশালার প্রশিক্ষক হিসেবে নিরলস পরিশ্রম করে শিশু-কিশোরদের উদ্বদ্ধ করেছেন শাস্ত্রীয় সংগীত চর্চায়।